
চীনে জন্মহার হ্রাস আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকাজুড়ে একের পর এক দেশে জন্মের হার পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক নেমে গিয়েছে।
এমনকি মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায়ও জন্মহার প্রত্যাশার চেয়ে বেশ নাটকীয় হারে কমছে।
মানুষ যে শুধু আগের চাইতে কম সন্তান ধারণ করছে তাই নয়, একইসাথে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে অনেকেই এখন আর সন্তান নিচ্ছে না।
ইসাবেলের বয়স যখন তিরিশের কোঠার শুরুর দিকে তখন তার একটি বাজে ধরণের বিচ্ছেদ হয়। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি মা হতে চান না।
এরপর তিনি মা হতে অনাগ্রহী নারীদের নিয়ে নানকা মাদ্রেস নামে একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন।
জীবনে এমন একটা সিদ্ধান্ত বেছে নেয়ার জন্য তিনি প্রতিনিয়ত সমালোচনার মুখে পড়েন। শুধুমাত্র তার দেশ কলম্বিয়াতে নয়, বরং এর বাইরেও তিনি নানাভাবে সমালোচিত হন।
তিনি বলেন, "আমি যে কথাটি সবচেয়ে বেশি শুনি তা হল আপনি এই সিদ্ধান্তের জন্য একদিন পস্তাবেন, আপনি স্বার্থপর। আপনি যখন বুড়ো হবেন তখন কে আপনার যত্ন নেবে?”
ইসাবেলের জন্য, সন্তানহীন জীবন কাটানো তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। অনেকের জন্য, এটি শারীরিক বন্ধ্যাত্বের ফলাফল।
শুধুমাত্র শারীরিক সক্ষমতা না থাকায় অনেক মানুষ সন্তানহীন জীবন কাটায়।
আবার কারো কারো জন্য সন্তানহীনতার পেছনে অন্য অনেক কারণ বা বেশ কয়েকটি কারণের সমষ্টি দায়ী হতে পারে।
যার ফলে একজন ব্যক্তির আগে যেখানে সন্তান ধারণের ইচ্ছা ছিল, পরে তা আর থাকে না - যাকে সমাজবিজ্ঞানীরা "সামাজিক বন্ধ্যাত্ব" হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষরা সন্তান নিতে চাইলেও তাদের সেই সক্ষমতা নেই। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পুরুষদের।
No comments:
Post a Comment